দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে জেল, জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হন। নির্বাসিত জীবনযাপন করেন। ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠী তাঁর জীবন থেকে কেড়ে নেয় ২৭টি বছর। কিন্তু তিনি কখনও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। অবশেষে জয় হয় মানবতার, অবসান ঘটে বর্ণবাদের।
নেলসন ম্যান্ডেলা আর শেখ মুজিবুর রহমান উভয়ই চিরন্তন প্রেরণার উৎস- মন্তব্যটি যথার্থ।
জাতির ভাগ্যোন্নয়নে সৎ ও যোগ্য নেতার যথার্থ নেতৃত্ব একান্ত অপরিহার্য। যুগে যুগে নিপীড়িত জাতি এমন নেতাই প্রত্যাশা করে।
উদ্দীপকের দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন। শেষাবধি তিনি বিজয়ী হন এবং মানবতা ও স্বাধীনতার বিজয় কেতন উড়িয়ে দেন স্বদেশের আকাশে। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমান এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। এই ভাষণে তিনি বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। যার পরিপ্রেক্ষিতে এদেশের সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে দীর্ঘ নয় মাস মরণপণ লড়াই করে বাংলার আকাশে স্বাধীনতার সূর্যকে ছিনিয়ে আনে।
উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলা ও উভয়েই সাধারণ ও নিপীড়িত মানুষকে জাগ্রত করেছেন। তাদের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই-সংগ্রাম করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। যার ফলশ্রুতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষ ও বাঙালি জাতি স্বাধীনতার কেতন উড়াতে পেরেছে। তাদের চিন্তা-চেতনা, জীবন সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ যুগ যুগ ধরে শোষিত মানুষকে সংগ্রাম করে অধিকার আদায় করতে প্রেরণা জাগায়। তাই আমরা বলতে পারি যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?